empty
 
 
26.01.2026 10:02 AM
২৬ জানুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত? নতুন ট্রেডারদের জন্য ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ

সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা:

This image is no longer relevant

সোমবার অল্প কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে বলে নির্ধারিত আছে। পুরো ইউরোজোনে কেবল জার্মানিতে বিজনেস ক্লাইমেট সূচক প্রকাশিত হবে, যা স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদন। যুক্তরাষ্ট্রে ডিউরেবল গুডস অর্ডার সংক্রান্ত তুলনামূলকভাবে অধিক গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিবেদন মার্কেটে প্রতিক্রিয়া উস্কে দিতে পারে। তবে লক্ষ্যণীয় যে গত সপ্তাহে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যই শক্তিশালীভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সম্পূর্ণরূপে গ্রিনল্যান্ড, ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নকে ঘিরে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে ঘটেছে। কয়েক মাস ধরে ইউরো ও পাউন্ডের মূল্য ফ্ল্যাট রেঞ্জের মধ্যে বা করেকশনের মধ্যে ছিল, কিন্তু এখন মার্কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে "ডলার বিক্রির" প্রবণতা শুরু হয়েছে।

ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ:

This image is no longer relevant

আজ কোনো ফান্ডামেন্টাল ইভেন্ট নির্ধারিত নেই, এবং গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টটি ইতোমধ্যেই গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে শুল্ক আরোপ করেছিলেন, এরপর প্রতিপক্ষ কিছুটা ছাড় দেয়ার পর তিন দিন পর তা প্রত্যাহার করেছেন। সেই ছাড়গুলো কী ছিল এবং ন্যাটো সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুট এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প কী কী বিষয় নিয়ে সম্মত হয়েছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়; তবুও পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হতে যাওয়া শুল্ক প্রত্যাহার করা হবে। একই সঙ্গে ট্রেডারদের এখনও ডেনমার্কের গ্রিনল্যান্ডের সংক্রান্ত চুক্তিগুলো সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হবে—এ মুহূর্তে এই চুক্তির বিবরণ সম্পর্কে কেউ কিছুই জানে না। 2026 সালের পরিস্থিতি বিবেচনা করে ধরে নেওয়া যায় যে নতুন সপ্তাহে ট্রাম্প আবারও পৃথিবীর অন্য কোথাও "উত্তেজনাময় পরিস্থিতি সৃষ্টি" করতে পারেন। সম্ভবত এই সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের দিকে দৃষ্টি দেবেন।

উপসংহার:

চলতি সপ্তাহের প্রথম ডিনের ট্রেডিংয়ের পুরো সময়টাতেই উভয় পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। ইউরো আজ 1.1851-এ ট্রেড করা যেতে পারে, আর ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3643–1.3652 এরিয়া থেকে ট্রেডিং করা যেতে পারে। অবশ্যই, এখন প্রতিদিনই ডলার দরপতন হবে বিষয়টি এমন নয়—ব্রেকআউট, করেকশন এবং পুলব্যাক থাকবে। তবুও আমরা মধ্যমেয়াদে ইউরো ও পাউন্ড উভয়ের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশাই করছি। এর মানে শর্ট পজিশনের তুলনায় লং পজিশনগুলোই বেশি প্রাসঙ্গিক থাকবে।

ট্রেডিং সিস্টেমের মূল নিয়মাবলী:

  1. সিগনালের শক্তি: যত দ্রুত একটি সিগন্যাল (রিবাউন্ড বা ব্রেকআউট) গঠিত হয়, সিগন্যালটিকে ততই শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
  2. ভুল সিগন্যাল: যদি কোনো লেভেলের কাছে দুই বা ততোধিক ভুল ট্রেডিং সিগনাল গঠিত হয়, তাহলে ঐ লেভেল থেকে প্রাপ্ত পরবর্তী সিগন্যালগুলোকে উপেক্ষা করা উচিত।
  3. ফ্ল্যাট মার্কেট: যখন মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্ট দেখা যায়, তখন পেয়ারগুলোতে একাধিক ভুল সিগন্যাল গঠিত হতে পারে অথবা কোনো সিগন্যাল না-ও গঠিত হতে পারে। মার্কেটে ফ্ল্যাট মুভমেন্টের ইঙ্গিত পাওয়ামাত্র ট্রেডিং বন্ধ করে দেওয়াই ভালো।
  4. ট্রেডিংয়ের সময়সূচী: ইউরোপীয় সেশন শুরু থেকে মার্কিন সেশনের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ট্রেড ওপেন করুন এবং এরপর সকল ট্রেড ম্যানুয়ালি ক্লোজ করে ফেলুন।
  5. MACD সিগন্যাল: ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে কেবল সেই MACD সিগন্যালগুলোর ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করুন, যেগুলো উচ্চ মাত্রার অস্থিরতা এবং ট্রেন্ডলাইন বা ট্রেন্ড চ্যানেলের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রবণতা হিসেবে বিবেচিত।
  6. নিকটতম লেভেল: যদি দুটি লেভেল খুব কাছাকাছি (৫–২০ পিপসের মধ্যে) অবস্থিত হয়, তাহলে সেগুলোকে সাপোর্ট বা রেজিস্ট্যান্স জোন হিসেবে বিবেচনা করুন।
  7. স্টপ লস: মূল্য কাঙ্ক্ষিত দিকের দিকে ১৫ পিপস মুভমেন্ট প্রদর্শন করলে, ব্রেকইভেনে স্টপ লস সেট করুন। এতে করে ভুল সিগন্যালের কারণে লোকসানের ঝুঁকি কমে আসে।

চার্টে কী কী রয়েছে:

  • সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স লেভেল: এই লেভেলগুলো পজিশন ওপেন বা ক্লোজ করার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে কাজ করে এবং টেক প্রফিট সেট করার ক্ষেত্রেও উপযোগী।
  • লাল লাইনসমূহ: চ্যানেল বা ট্রেন্ডলাইন, যা বর্তমান প্রবণতা এবং ট্রেডের সম্ভাব্য দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
  • MACD ইনডিকেটর (14,22,3): হিস্টোগ্রাম এবং সিগন্যাল লাইন বিশ্লেষণের জন্য একটি অতিরিক্ত ট্রেডিং সিগন্যালের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

নতুন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও প্রতিবেদন: এই তথ্যগুলো অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় এবং মূল্যের মুভমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন বা মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসুন, যাতে হঠাৎ করে মূল্যের রিভার্সাল বা বিপরীতমুখী হওয়ার প্রবণতা এড়ানো যায়।

ফরেক্স ট্রেডিংয়ে নতুন ট্রেডারদের মনে রাখতে হবে প্রতিটি ট্রেড লাভজনক হবে না। দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডিংয়ে সফলতা অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল গ্রহণ এবং সঠিক মানি ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Recommended Stories

এখন কথা বলতে পারবেন না?
আপনার প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করুন চ্যাট.