আরও দেখুন
যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1745 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে দিয়েছিল। এই কারণে আমি ইউরো কিনিনি। 1.1745-এর লেভেলের দ্বিতীয় টেস্টের ফলে সেল সিগন্যালের পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের সুযোগ পাওয়া গিয়েছিল, যার ফলে এই পেয়ারের মূল্য 10 পিপস কমে যায়। মার্কিন সেশনের মধ্যভাগে 1.1745-এর আরেকটি টেস্টের সময় MACD সূচকটি শূন্যের উপর উঠতে শুরু করলে লং পজিশনে এন্ট্রি করার সুযোগ তৈরি হয়। ফলস্বরূপ, এই পেয়ারের মূল্য 40 পিপসেরও বেশি বেড়ে যায়।
যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি কার্যক্রমের শাটডাউনের সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উদ্বেগ ডলারের দরপতনের দিকে নিয়ে গেছে। ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (DHS)-এর তহবিলের অনুদান নিয়ে কংগ্রেসে সৃষ্ট মতবিরোধ ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান পার্টির মধ্যে বাজেট নিয়ে তীব্র বিরোধ উসকে দিয়েছে। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রধান বৈশ্বিক মুদ্রাগুলোর তুলনায় ডলার লক্ষণীয় দরপতনের শিকার হয়েছে। বহু অর্থনীতিবিদ গত শরতে পরিলক্ষিত শাটডাউনের কারণে মার্কিন অর্থনীতির উপর সৃষ্ট নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে সতর্ক করেছেন।
এই ঝুঁকিগুলোর পাশাপাশি আজ জার্মানিতে প্রকাশিতব্য IFO বিজনেস ক্লাইমেট সূচকের ফলাফল ইউরোর মূল্যের অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে, কারণ এতে জার্মানির বর্তমান ব্যবসায়িক পরিস্থিতি এবং অর্থনৈতিক প্রত্যাশার মূল্যায়ন অন্তর্ভুক্ত থাকবে। IFO-এর প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল ব্যবসায়িক পরিস্থিতিতে আশাব্যঞ্জক মনোভাব ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা প্রতিফলিত করে, যা ইউরোকে সহায়তা করতে পারে। বুন্দেসব্যাংকের প্রেসিডেন্টের বক্তব্যও কারেন্সি ট্রেডিংয়ে প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিনিয়োগকারীরা তাঁর বক্তব্যে মুদ্রাস্ফীতি, আর্থিক নীতিমালা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা সম্পর্কে মন্তব্যের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখবেন। ট্রেডারদের মনে রাখতে হবে যে এসব ঘটনার প্রতি মার্কেটে সৃষ্ট প্রতিক্রিয়া অস্পষ্ট হতে পারে—IFO প্রতিবেদনের ফলাফল পূর্বাভাস অতিক্রম করলেও বুন্দেসব্যাংকের প্রধান যদি তাঁর মন্তব্যে সংযম প্রদর্শন করেন, তাহলে ইউরোর দর নাও বৃদ্ধি পেতে পারে।
দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের উপর বেশি নির্ভর করব।
পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1892-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1869-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1892-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1850-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1869 এবং 1.1892-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1850-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1829-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1869-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1850 এবং 1.1829-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।