আরও দেখুন
যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3545-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে দিয়েছিল। এই কারণে আমি পাউন্ড কিনিনি এবং ঊর্ধ্বমুখী মুভমেন্ট কাজে লাগাতে পারিনি।
যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি কার্যক্রমে শাটডাউনের ঝুঁকি বাড়ায় ডলারের মূল্যের ধস নামে। ট্রেডাররা অনিশ্চয়তা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিকভাবে ডলার বিক্রি করা শুরু করে এবং নিরাপদ অ্যাসেটের দিকে বিনিয়োগ স্থানান্তরিত করেছেন। উদ্বেগের মূল কারণ হলো কংগ্রেসের কিছু সদস্য ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটয (DHS)-এর তহবিল অনুমোদনে অনিচ্ছা ব্যক্ত করেছেন, যা ICE-এর কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে — ICE (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট) ট্রাম্প কর্তৃক অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কার্যক্রম চালানোর জন্য তৈরি করা হয়েছিল। মূলত সীমান্ত নিরাপত্তা সংক্রান্ত MIB-এর নীতিমালাকে ঘিরে মতবিরোধ শুরু হয়েছে, যা মার্কিন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিতর্কের মূল বিষয় হিসেবে দাঁড়িয়েছে। যদি ৩১ জানুয়ারির মধ্যে কোনো সমঝোতা না হয়, তবে ICE ও MIB-এর মধ্যে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যেতে পারে। নতুন করে শাটডাউন শুরু হলে সেটি মার্কিন ও বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি সৃষ্টি করবে।
আজ যুক্তরাজ্য থেকে কোনো প্রতিবেদন প্রকাশের কথা না থাকায় এই পেয়ারের আরও দর বৃদ্ধি প্রত্যাশা করা যেতে পারে। সাপ্তাহিক সর্বোচ্চ লেভেলের উপরে দৃঢ়ভাবে কনসলিডেশন অব্যাহত থাকলে সেটি ক্রমাগত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার একটি বাড়তি সংকেত হিসেবে কাজ করবে। অন্যদিকে, যদি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দুর্বল হয়ে নিম্নমুখী করেকশন শুরু হয়, তাহলে নিকটতম সাপোর্ট লেভেলগুলো পর্যবেক্ষণ করা গুরুত্বপূর্ণ হবে। মোটকথা, GBP/USD-এর টেকনিক্যাল চিত্র মোটামুটি ইতিবাচক রয়েছে, তবে ট্রেডিংয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় অনেকগুলো বিষয়—বিশেষ করে রাজনৈতিক পরিস্থিতির—কথা মাথায় রাখতে হবে এবং সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 ও পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের উপর বেশি নির্ভর করব।
পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3694-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3667-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3694-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। চলমান প্রবণতার সাথে সঙ্গতি রেখে আজ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3652-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3667 এবং 1.3694-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3652-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3626-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ পাউন্ডের বিক্রেতাদের খুব বেশি সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা নেই। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3667-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3652 এবং 1.3626-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।