আরও দেখুন
যখন MACD সূচকটি শূন্য লাইনের নিচে নামতে শুরু করছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.3380 লেভেল টেস্ট করেছিল—যা পাউন্ড বিক্রির জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। ফলস্বরূপ এই পেয়ারের মূল্য 1.3355-এর লক্ষ্যমাত্রায় নেমে এসেছে।
ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার সময় নিরাপদ বিনিয়োগের সন্ধানকারী বিনিয়োগকারীরা ঐতিহ্যগতভাবে মার্কিন ডলারের দিকে ঝুঁকে থাকে। বৈশ্বিক জ্বালানি রুটগুলোর মধ্যে অন্যতম পারস্য উপসাগর ঘিরে সৃষ্ট চাপ বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অনিশ্চয়তা ও সম্ভাব্য ঝুঁকি তৈরি করে চলেছে। এমন পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে মার্কিন ডলার ব্রিটিশ পাউন্ডের তুলনায় আরও স্থিতিশীলতা ও আকর্ষণীয়তা প্রদর্শন করছে।
তবে আজ এই পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। যুক্তরাজ্যে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে যাচ্ছে, যা মার্কেটের সামগ্রিক পরিস্থিতি নির্ধারণে সিদ্ধান্তমূলক ভূমিকা রাখতে পারে—ফলে বেশ সক্রিয় ট্রেডিং সেশনের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ট্রেডাররা মূলত জিডিপি প্রতিবেদনের ফলাফল বিশ্লেষণে করবে, যা যুক্তরাজ্যের অর্থনীতির সামগ্রিক অবস্থা প্রতিফলিত করে। এই প্রতিবেদনে সমস্ত খাতের ফলাফল অন্তুর্ভুক্ত করা হয় এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি বা সংকোচন এবং এসব প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার কারণ সম্পর্কে বিনিয়োগকারীদের ধারণা দেবে। এর পরে শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। কারখানা ও প্ল্যান্ট কর্মকাণ্ড প্রতিফলিত করে এই সূচক ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবণতা মূল্যায়নের জন্য একটি অগ্রণী নির্দেশক হিসেবে কাজ করতে পারে। সবশেষে বাণিজ্য ঘাটতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে—রফতানি ও আমদানি ব্যবহারের অনুপাত প্রদর্শন করে এই সূচক সরাসরি পাউন্ডের এক্সচেঞ্জ রেটকে প্রভাবিত করতে পারে। ঘাটতি হ্রাস পেলে বা ইতিবাচক ট্রেড ব্যালান্স অর্জিত হলে সাধারণত এটি ব্রিটিশ পাউন্ডের জন্য সহায়ক, আর ঘাটতি বাড়লে পাউন্ড দুর্বল হতে পারে।
দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি প্রধানত পরিকল্পনা #1 ও পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব।
পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3363-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.3338-এর (চার্টে হালকা সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি পাউন্ড কেনার পরিকল্পনা করছি। মূল্য প্রায় 1.3363-এর লেভেলের আশেপাশে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, উল্লিখিত লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি। আজ জিডিপি প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং শূন্যের উপরে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3322-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রেও আমি আজ পাউন্ড কিনতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নগামী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। 1.3338 এবং 1.3363-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে।
পরিকল্পনা #1: আজ পাউন্ডের মূল্য 1.3322-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি, যা GBP/USD-এর দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.3294-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস মুভমেন্ট হওয়ার আশা করছি। আজ যেকোনো মুহূর্তে পাউন্ডের বিক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ! বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.3338-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ পাউন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী দিকে নিয়ে যাবে। 1.3322 এবং 1.3294-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করা যেতে পারে।